![]() | Saidur Trainer 2 years ago |
এখন বাজারে খুব সহজলভ্য পুদিনা পাতা। রান্নায় পুদিনা পাতার কদর তো আছেই, কিন্তু ঔষধি হিসেবে এই পাতার বহুল ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই। যা অনেকের অজানা। এছাড়া রূপচর্চার উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে পুতিনা পাতা। আর যত দিন যাচ্ছে তত গবেষণা হচ্ছে পুদিনা ও পুদিনার মতো ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে। এ কারণে আজ কথা বলব পুদিনা পাতার গুরত্বপূর্ণ গুণাবলী নিয়ে।
গুণাবলী:
১) রোদে পোড়া ত্বকের জ্বালা কমাতে পুদিনা পাতার রস ও অ্যালোভেরার রস এক সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন সানবার্নের জ্বালা গায়েব।
২) আশ্চর্যজনক হলেও পুদিনা পাতার গুণ খুব সত্যি। বহু বিজ্ঞানীদের দাবি, পুদিনা পাতা ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। পুদিনা পাতার পেরিলেল অ্যালকোহল যা ফাইটো নিউট্রিয়েন্টসের একটি উপাদান দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে।
৩) ব্রণ দূর করতে ও ত্বকের তেলতেলে ভাব কমাতে তাজা পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগান। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের দাগ দূর করতে প্রতিদিন রাতে পুদিনা পাতার রস লাগান। সম্ভব হলে সারারাত রাখুন। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে কমপক্ষে ২/৩ ঘণ্টা রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। মাসখানেক এইভাবে লাগালে ব্রণের দাগ উধাও হয়ে যাবে।
৪) চুলে উকুন হলে পুদিনার শেকড়ের রস লাগাতে পারেন। উকুনের মোক্ষম ওষুধ হল পুদিনার পাতা বা শেকড়ের রস। গোটা মাথায় চুলের গোড়ায় এই রস ভাল করে লাগান। এরপর একটি পাতলা কাপড় মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু বার এটা করুন। এক মাসের মধ্য চুল হবে উকুনমুক্ত।
৫) সর্দি হলে নাক বুজে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো মারাত্মক কষ্ট পান অনেকেই। সেই সময় যদি পুদিনা পাতার রস খান, তাহলে এই কষ্ট থেকে রেহাই পাবেন নিমেষে। যাঁরা অ্যাজমা এবং কাশির সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের তাৎক্ষণিক উপশমে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকরী। খুব বেশি নিঃশ্বাসের এবং কাশির সমস্যায় পড়লে পুদিনা পাতা গরম জলে ফুটিয়ে সেই জলেরর ভাপ নিতে পারেন। ভাপ নিতে অসুবিধা হলে গার্গল করার অভ্যাস তৈরি করুন।
৬) গোলাপ, পুদিনা, আমলা, বাঁধাকপি ও শশার নির্যাস একসঙ্গে মিশিয়ে টোনার তৈরি করে মুখে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। মসৃণও হয়।
৭) পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যা পেটের যে কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে খুব দ্রুত। যাঁরা হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথা কিংবা পেটের নানান সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাঁরা খাবার কাওয়ার পর ১ কাপ পুদিনা পাতার চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৬/৭টি তাজা পুদিনা পাতা গরম জলে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খুব সহজে পুদিনা পাতার চা তৈরি করতে পারেন ঘরের মধ্যেই।
৮) গরমকালে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখাতে পুদিনার রস খুব ভাল। গোসলের আগে জলের মধ্যে কিছু পুদিনা পাতা ফেলে রাখুন। সেই জল দিয়ে স্নান করলে শরীর ও মন চাঙ্গা থাকে।
৯) এই পাতার রস ত্বকের যে কোনো সংক্রমণকে ঠেকাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। শুকনো পুদিনা পাতা ফুটিয়ে পুদিনার জল তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। এক বালতি জলে দশ থেকে পনেরো চামচ পুদিনার জল মিশিয়ে স্নান করুন। গরমকালে শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া-জনিত বিশ্রী দুর্গন্ধের হাত থেকে রেহাই পেতে এটা ট্রাই করতে পারেন। কেননা পুদিনাতে রয়েছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট। ঘামাচি, অ্যালার্জিও হবে না।
১০) তাৎক্ষণিক যে কোনও ব্যথা থেকে রেহাই পেতে পুদিনা পাতার রস খুব উপকারী। চামড়ার ভেতরে গিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভে পৌঁছায় এই রস। তাই মাথা ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যায়। মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনা পাতা বেটে প্রলেপ দিতে পারেন।
parallax ad
টপিক
সম্পর্কিত খবর
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
৮ মাস আগে
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
৫ মাস আগে
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
জীবনযাপন
মাম্পস রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ করতে পারেন যেভাবে
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩ ১৫:০১
মাম্পস রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ করতে পারেন যেভাবে
মাম্পস রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ করতে পারেন যেভাবে
ঢাকা শিশু হাসপাতালে এক শিশুকে দেখছেন চিকিৎসক। ছবি : কালের কণ্ঠ
মাম্পস মূলত শিশুব্যাধি। পেরামিক্সো গ্রুপের এক ভাইরাস অসুখটি তৈরি করে। এর ৮৫ শতাংশ ঘটে থাকে শিশুর ১৫ বছর বয়সের মধ্যে। শীতের শেষ ও বসন্তকালে, শহরতলির ঘিঞ্জি পরিবেশে এর প্রাদুর্ভাব বেশি। রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
শিশু যেভাবে আক্রান্ত হয়
মাম্পসের জীবাণু মাম্পস আক্রান্ত রোগীর সরাসরি সংস্পর্শে, কাশি-হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে কিংবা লালা-প্রস্রাব দূষিত ব্যবহৃত জিনিস দ্রব্যাদির সাহায্যে শিশুর দেহে প্রবেশ করে। এ জীবাণু রোগী অসুস্থ হওয়ার কয়েক দিন আগে থেকে অসুখ মিলিয়ে যাওয়ার বেশ কিছুদিন পর্যন্ত ছড়াতে সক্ষম। তা ছাড়া মাম্পস আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর মধ্যে রোগের স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। সাধারণভাবে মাম্পস ভাইরাস দেহে প্রবেশের পর শ্বাসতন্ত্রের টিস্যুতে সাময়িকভাবে বংশ বৃদ্ধি ঘটায়। পরে তা রক্তে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আক্রমণ করে। বাহুল্য, এর প্রধান টার্গেট পেরাটিড ও অন্যান্য লালাগ্রন্থি।
লক্ষণ
সচরাচর মাম্পস জীবাণু দেহে ঢোকার ১৪ থেকে ২৪ দিনের মাথায় অসুখের চিহ্ন দেখা যায়। প্রথমদিকে জ্বর, মাথা ব্যথা, সারা শরীরে ব্যথা ইত্যাদি থাকে। সাধারণভাবে জ্বরের মাত্রা তেমন বেশি থাকে না। এক থেকে তিন দিনের মধ্যে মূল লক্ষণ প্রকাশ পায়-অর্থাৎ এক দিক বা দুই দিকের পেরোটিড-লালাগ্রন্থি ফুলে যায়। তাতে খুব ব্যথা থাকে। কানের সামনের ডান ও চোয়ালের ওপরের দিকের অংশটি থাকে ফোলা, যা কখনো কখনো কানের লতিকে পেছনের দিকে ঠেলে রাখে। একই সঙ্গে দুই দিকের গ্ল্যান্ড ফোলে না। একটি শুরুর দুই থেকে তিন দিনের মাথায় ফোলে। অন্যটি শুরু থেকেই ফুলে থাকে। পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে সাধারণত ফোলার উপশম ঘটে। তবে কখনো কখনো বেশিদিন লাগতে পারে।
সাধারণভাবে তেমন কোনো জটিলতা ছাড়াই বেশির ভাগ মাম্পস রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে অনেক মারাত্মক জটিলতাও কখনো কখনো হতে পারে। যেমন— মেনিনগো এনকেফালাইটিস (মস্তিষ্কের প্রদাহ), হার্ট, টেসটিস, কিডনি, অগ্ন্যাশয় ইত্যাদির প্রদাহ। শিশুর কানে না শোনার অন্যতম প্রধান কারণও মাম্পস-পরবর্তী জটিলতা।
চিকিৎসা
* সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই।
* সাধারণ ব্যবস্থাপনাই আসল। স্বাভাবিক খাবার বজায় রাখা, খাবারের পুষ্টিমান অটুট রেখে খাওয়ানো।
* জ্বরের জন্য শিশুর প্রতি কেজি ওজন হিসেবে প্যারাসিটামল খেতে দেওয়া।
* শরীরে পানির চাহিদা পূরণ
* কোনো জটিলতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করাতে হবে।
মাম্পস প্রতিরোধর উপায়
* মাম্পস প্রতিরোধের শক্তি শিশু বয়সের প্রথম চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত বজায় থাকে, যা সে মায়ের কাছ থেকে লাভ করে।
* মাম্পস আক্রান্ত শিশু প্রায় সারা জীবনের জন্য ইমিউনিটি লাভ করে।
* এমএমআর ভ্যাকসিন মাম্পসের জন্য অত্যন্ত কার্যকর প্রতিরোধক টিকা।
টপিক
সম্পর্কিত খবর
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
৮ মাস আগে
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
৫ মাস আগে
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
জীবনযাপন
কী আছে আজকের রাশিফলে? জেনে নিন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩ ১১:০৩
কী আছে আজকের রাশিফলে? জেনে নিন
অনলাইন ডেস্ক
কী আছে আজকের রাশিফলে? জেনে নিন
আজ ২৮ মার্চ, রোজ মঙ্গলবার। পাশ্চাত্য জ্যোতিষশাস্ত্র মতে ভাগ্য মানুষের ‘ভাগ্য’ ফেরায়। ভাগ্য মানুষের সঙ্গে করে বিড়ম্বনা। দুই-ই সত্যি, যদি আপনি মানেন, জানেন। জেনে নিন আপনার আজকের রাশিফল-
মেষ
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অন্যের সহযোগিতা পাবেন। আটকে থাকা কোনো কাজ সচল হবে। উপার্জনের রাস্তা খুলবে। সময়োপযোগী পদক্ষেপ আপনাকে সাফল্যের পথ দেখাবে। সিদ্ধান্তে অটল থাকুন।
বৃষ
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে। কোনো প্রচেষ্টা সার্থক রূপ নিতে পারে। ব্যবসায় কোনো পরিবর্তনের কথা ভাবতে পারেন। মন স্থির রেখে সুদৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যান। সফল হবেন।
মিথুন
কোনো যোগাযোগে আশাবাদী হবেন। কথা ও আচরণে শক্তি পাবেন। আত্মীয় দ্বারা কোনো কাজ উদ্ধার করতে পারবেন। ব্যক্তিগত এবং গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করবেন না। বিতর্কিত বিষয় এড়িয়ে চলুন।
কর্কট
নতুন কাজের যোগাযোগ আসবে। কোনো আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। সামান্য বুদ্ধি প্রয়োগ করলেই শুভ ফলের আশা। বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নিলে সুফল পাবেন। শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন।
সিংহ
আপনার কাজে অন্যের প্রশংসা পাবেন। পুরনো কোনো সমস্যা সমাধানে অগ্রগতি হবে। উপার্জনের ভাগ্য ভালো। নতুন সুযোগকে কাজে লাগান। উত্ফুল্ল থাকুন। আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করলে সাফল্য পাবেন।
কন্যা
সকাল থেকে একটু ভালো একটু খারাপ চলতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পূর্বের যোগাযোগ কাজে লাগবে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়বে। সাময়িক উদ্বেগ দেখা দিলেও অসুবিধা হবে না। প্রার্থনায় শান্তি পাবেন।
তুলা
ব্যক্তিগত বিষয় অনুকূলে থাকবে। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে। কর্মব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটবে। পূর্বের ভুল সংশোধনের সুযোগ আসবে। মানসিক শান্তি বজায় রাখুন।
বৃশ্চিক
আকর্ষণীয় কিছু পরিকল্পনায় দিনটি উজ্জ্বল হতে পারে। নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা আপনাকে সামনের দিকে এগোতে সাহায্য করবে। আপনার ভাবনাকে বাস্তব রূপদান করুন। মানসিকভাবে ফিট থাকুন।
ধনু
সামাজিক কাজে আগ্রহ বাড়বে। নিজের ওপর আস্থা পাবেন। মনের অবসাদ দূর হবে। সৃজনশীল শক্তির সদ্ব্যবহার করতে পারবেন। গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সাবধানে রাখুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।
মকর
কোনো কিছু নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগতে পারেন। কিছুটা মানসিক চাপ অনুভব করবেন। কোনো ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অনুতপ্ত হতে পারেন। মতবিরোধ আছে, এমন মানুষ এড়িয়ে চলুন। সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করুন।
কুম্ভ
কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে। পূর্বের ভুল সংশোধনের সুযোগ পাবেন। প্রেমের বাধা মিটবে। আবেগের বশে কোনো কাজ করবেন না। সবাই মিলেমিশে কাজ করুন।
মীন
পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজন আজ আপনার কাছে অগ্রাধিকার পাবে। কর্মক্ষেত্রে আপনার সংকল্প ও উদ্যম প্রদর্শন করতে পারলে লাভবান হবেন। যাদের ভালোবাসেন তাঁদের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি মিটে যাবে।
টপিক
সম্পর্কিত খবর
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
৮ মাস আগে
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
৫ মাস আগে
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
জীবনযাপন
চুলের যত্নে শাক-সবজি
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩ ১৫:৩৭
চুলের যত্নে শাক-সবজি
চুল ভালো রাখতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে খাবার। নিয়মিত শাক-সবজি খাওয়া যেমন ভেতর থেকে চুলে পুষ্টি জোগায়, আবার এগুলোর তৈরি প্যাকও চুলের জৌলুস বাড়াতে সাহায্য করে। হার্বোকেয়ারের স্বত্বাধিকারী ডা. মো. শরিফুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন ফাতেমা ইয়াসমীন
চুলের যত্নে শাক-সবজি
সৌন্দর্যের অনেকটাই নির্ভর করে সুন্দর চুলের ওপর। চুল সুন্দর রাখতে ছেলে, মেয়ে উভয়েই চুলে নানা ধরনের প্যাক ব্যবহার করে থাকে। চুল ভালো রাখতে সব সময় দামি পণ্য ব্যবহার করতে হবে তা নয়। রান্নাঘরে থাকা শাক-সবজিও কিন্তু চুলের যত্নে ভালো উপাদান হতে পারে। নিয়মিত বেশি বেশি সবজি খেলে চুল ভালো থাকে। আবার এগুলোর তৈরি নানা প্যাক ব্যবহারও চুলের জন্য উপকারী।
গাজর
গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’। ভিটামিন ‘সি’ চুলের জন্য খুব ভালো। গাজরের রস বেশ পুষ্টিকর। ভিটামিন ‘সি’যুক্ত এই রস চুলের জন্য খুবই উপকারী। গাজরের রসে আছে বিটাক্যারোটিন, যা চুলের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত গাজর খেলে চুলের গোড়া মজবুত হয়।
পেঁয়াজ
পেঁয়াজে রয়েছে প্রচুর সালফার। নতুন চুল গজাতে সালফার বেশ কার্যকরী। পেঁয়াজের রস চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুল কালো করে। কয়েকটি পেঁয়াজ কুচি করে বা ব্লেন্ডার করে রস বের করে নিন। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। সারা রাত মাথায় লাগিয়ে রেখে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। পরদিন ভালো শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
টমেটো
টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। ত্বক চর্চায় টমেটো বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে চুলের জন্যও টমেটো দারুণ কার্যকরী। এটি মাথার স্ক্যাল্পের রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। এই ফ্লোর কারণে চুলের ফলিকল স্টিমুলেট হয়। চুলের গোড়া শক্তিশালী করে।
রসুন
প্রাচীনকাল থেকেই চুলের নানা সমস্যা সমাধানে রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে। রসুন ব্যবহারের ফলে চুল পুষ্টি পায় আর চুলের গুণগত মান ভালো হয়। রসুন মাথায় রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে। এটি চুলের নিষ্প্রাণ ভাব দূর করে এবং চুল ঝলমলে করে তোলে। রসুনের রস নিয়মিত লাগালে চুলের বৃদ্ধি ঘটে।
শসা
শসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ। এটি নখ, দাঁত ও মাড়ির জন্য বেশ ভালো। শসায় থাকা সালফার ও সিলিকা মাথার চুল উজ্জ্বল ও শক্ত করে। নিয়মিত শসার রস পান চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
পালংশাক
পালংশাক চুলের বৃদ্ধির জন্য অনেক উপকারী। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ এবং প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এই উপাদানগুলো চুলের স্ক্যাল্পে তেল উৎপন্ন করে, যা চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে আছে ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এই দুটি উপাদানও চুলের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়।
অ্যালোভেরার রস
অ্যালোভেরার রস চুলের রুক্ষতা দূর করতে সাহায্য করে। চুলের ভঙ্গুরতা দূর করে। চুল বৃদ্ধির জন্য অ্যালোভেরার রস বেশ কার্যকর। নতুন চুল গজানোর জন্য অ্যালোভেরার রস নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরার রস চুলকে কন্ডিশনিং করে নরম করে, যা অনেক দিন স্থায়ী থাকে।
টপিক
সম্পর্কিত খবর
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
২৫ লাখ টাকা দিয়ে কেট মিডলটনের নগ্ন ছবি কেনেন জনি!
৮ মাস আগে
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আরো জেনেশুনে কথা বলা উচিত: আইনমন্ত্রী
৫ মাস আগে
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন
১ বছর আগে
জীবনযাপন
যেসব খাবার দাঁতের জন্য ক্ষতিকর, প্রতিরোধে কী করতে হবে?
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩ ১৪:২৮
যেসব খাবার দাঁতের জন্য ক্ষতিকর, প্রতিরোধে কী করতে হবে?
যেসব খাবার দাঁতের জন্য ক্ষতিকর, প্রতিরোধে কী করতে হবে?
দাঁত আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অঙ্গ। প্রতিদিন আমরা যে খাবারগুলো খাই দাঁত তা চূর্ণবিচূর্ণ করে ভেঙে পরিপাক উপযোগী করে তোলে, ফলে আমরা যথাযথ পুষ্টি গ্রহণ করতে পারি। সে জন্য বলা হয় মুখের স্বাস্থ্য সামগ্রিক দেহের স্বাস্থ্যের প্রতিচ্ছবি। দাঁতের জন্য উপকারী অনেক খাবারের কথা আমরা জানি; কিন্তু এমন অনেক খাবার আছে, যেগুলো দাঁতের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এই খাবারগুলো বর্জন করে দাঁত সুস্থ-সবল করার ব্যবস্থা করতে হবে।
* মিষ্টি বা চিনিযুক্ত আঠালো খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি, ক্যান্ডি, ব্রেড ও ভঙ্গুর মচমচে মিষ্টি চিপস ইত্যাদি খাবার।
* মিষ্টি ফলমূল যেমন খেজুর, কিশমিশ খাবার পর দাঁতে লেগে থাকলে তাতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়। আবার এসিডযুক্ত ফলের জন্য এনামেলের ক্ষতি হতে পারে। মাখনযুক্ত চিনাবাদাম দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। কম পানিযুক্ত শুকনা ফল দাঁতের ক্ষতি করতে পারে।
* কার্বোনেটেড কোমল পানীয়তে প্রচুর চিনি, ফসফরিক এসিড ও সাইট্রিক এসিড থাকে। এগুলো এনামেলের জন্য ক্ষতিকর।
* কফি, অ্যালকোহল বর্জন করতে হবে। কারণ তা লালা নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।
ক্ষতি প্রতিরোধে কী করতে হবে?
মিষ্টি খাবারগুলো বা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো অনেক সময় আমাদের প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে খেতে হতে পারে; কিন্তু তা যেন আমাদের দাঁতে ক্ষতিকর কোনো প্রভাব বিস্তার না করতে পারে সে জন্য আমাদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে।
* প্রথমে আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। পরে মিষ্টি খাবার খেতে হবে। আঁশযুক্ত খাবার প্রথমে খেলে মুখ থেকে লালা নিঃসৃত হবে, যা ক্ষতি কিছুটা প্রশমিত করবে।
* প্রতিদিন দুইবার ১২ ঘণ্টা অন্তর ব্রাশ করতে হবে। সম্ভব হলে প্রতিবার খাবার পর ব্রাশ করতে হবে।
* প্রতি রাতে একবার ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে হবে।
* মিষ্টি ও আঠালো খাবার গ্রহণের পর ব্রাশ করতে হবে।
* ফল বা ফলের রস পান করার কুলকুচি করতে হবে।
ক্ষতি হয়েই গেলে কী করবেন?
* দ্রুত ডেন্টিস্টের কাছে যেতে হবে এবং পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
* ক্ষতি জটিলতর অবস্থায় না চলে গেলে প্রফেশনাল ডেন্টাল কেয়ার জন্য যা করার দরকার তা করতে হবে।
* ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডাক্তারের কাছে বা ডেন্টিস্টের কাছে বার্ষিক ভিজিট নিশ্চিত করতে হবে।
* আমাদের মনে রাখতে হবে, বেশি ক্ষতি হলে সময় ও খরচ উভয়ই বেড়ে যায়। তাই আগে থেকে সচেতন হোন, দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখুন। দাঁত ও মাড়ি সুস্থ থাকলে দেহ সুস্থ থাকবে।
Alert message goes here